দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানেই অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। দিনের খেলা শেষ হওয়ার অল্প কিছু সময় আগে ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার পর জবাব দিতে নেমে বিনা উইকেটে ২১ রান তুলেছে পাকিস্তান। ওপেনার আজান আওয়ুস ১৩ ও আব্দুল্লাহ ফজল ৮ রানে অপরাজিত আছেন।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দলীয় কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই ফিরে যান ওপেনার মাহামুদুল হাসান জয়। এরপর ৪৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ব্যক্তিগত ২৬ রানে মোহাম্মদ আব্বাসের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তানজিদ হাসান।
মমিনুল হক ২২ রান করে আউট হন দলীয় ৬৩ রানে। এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ২৯ রান করে ফিরেন তিনি, তখন দলের সংগ্রহ ১০৬ রান। অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমও থামেন ২৩ রানে, খুররম শাহাজাদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে।
ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান লিটন দাশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়লেও রান তোলার গতি সচল রাখেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। মেহেদী হাসান মিরাজ ৪, তাইজুল ইসলাম ১৬ ও তাসকিন আহমেদ ৭ রানে বিদায় নেন।
শেষ পর্যন্ত দলের সর্বোচ্চ ১২৬ রান করে আউট হন লিটন। হাছান আলীর বলে আব্দুল্লাহ ফজলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তিনি খেলেন দারুণ এক ইনিংস। এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট শতক।
লিটনের বিদায়ের পর শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে শূন্য রানে আউট হন নাহিদ রানা। অপর প্রান্তে ১২ রানে অপরাজিত থাকেন শরিফুল ইসলাম।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে খুররম শাহাজাদ নেন ৪ উইকেট। মোহাম্মদ আব্বাস শিকার করেন ৩টি উইকেট। এছাড়া হাছান আলী ২টি ও সাজিদ খান ১টি উইকেট পান।
জে আই